Sports

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো ইউরো পারফরম্যান্স 2004-2016

ইউরো মহামঞ্চের আসরে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পারফরম্যান্স

 

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো-এ সময়ের চ্যাম্পিয়ন খেলোয়াড়ের মধ্যে অন্যতম একজন ফুটবলার।সর্বকালের সেরা ফুটবলারদের তালিককা করলে তাতেও ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর নাম থাকবে নিশ্চিত ভাবে প্রথম দিকে।ইউরোপের শ্রেষ্ঠ আসরে এই সেরা খেলোয়াড়ের পারফর্মম্যান্স নিশ্চয় সেরা হবে বলে আপনি প্রত্যাশা করেন?পরিসংখ্যান এবং পরিসংখ্যানের বাইরে গিয়ে দেখে আসা যাক যে ইউরোতে রোনালদের অর্জন গুলো।

ইউরো ২০০৪

স্বাগতিক পর্তুগালের গ্রুপপর্বে লড়াই হয় গ্রিস স্পেন আর রাশিয়ার সাথে।সেটাই ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো প্রথম ইউরো কাপ ছিলো।ট্রুনামেন্ট তিনি সেবার দুটি গোল করেছিলেন,অ্যাসিস্টও সমানসংখ্যক ছিলো ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর।

গ্রিসের বিপক্ষে ২-১ গোলে হেরে যাওয়া ম্যাচে পর্তুগালের পক্ষে ৪৬ মিনিটে বদলি খেলোয়ার হিসেবে মাঠে নামা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।গ্রিসের অধিনায়ক জাগোরাকিস সেই ম্যাচের ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ হয়েছিলেন।

রাশিয়ার বিপক্ষে ২-০ গোলে জেতা ম্যাচে ৭৮ মিনিটে মাঠে নামা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো অ্যাসিস্ট করেন একটি।ম্যানিশ হন ম্যান অফ দ্য ম্যাচ।

স্পেনের বিপক্ষে ১-০ গোলে জেতা ম্যাচে রোনালদো কোনো গোল কিংবা অ্যাসিস্ট করতে পারেননি।ডেকো হয়েছিলেন সে ম্যাচের ম্যান অফ দ্য ম্যাচ।কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হয় পর্তুগাল।নির্ধারিত সময়ের খেলাই ২-২ গোলে ম্যাচ ড্র করলে,ট্রাইব্রেকারের মাধ্যমে পর্তুগাল ম্যাচটি জিতে নেয়।এই ম্যাচেও কোনো অ্যাসিস্ট বা গোল নেই ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর।তবে ট্রাইব্রেকার থেকে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো গোল পেয়েছিলেন।রিকার্ডো কারভালহো হন সে ম্যাচের ম্যান অফ দ্য ম্যান।

সেমিফাইনালে পর্তুগাল মুখোমুখি হয় শক্তিশালী ও আসরের ফেভারিট নেদারল্যান্ড-এর সাথে।পর্তুগাল এই ম্যাচ ২-১ গোলে জিতে নেয়,রোনালদো এই ম্যাচে একটি গোল করেন ও একটি গোল অ্যাসিস্ট করেন।লুইস ফিগো ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ হন।

ফাইলে পর্তুগার্ল ফেভারিট হওয়া সত্ত্বেও ১-০ গোলে ম্যাচটা হেড়ে যায় গ্রিসের কাছে।

২০০৮ ইউরো কাপ

প্রথমবারের মত রোনালদো ট্রুনামেন্ট খেলতে আসেন সুপারস্টার হয়ে।গ্রুপে ছিলো চেক রিপাবলিক,তুরস্ক এবং সুইজারল্যান্ড।খুব একটা কঠিন গ্রুপ ছিলো না।ফলে পর্তুগাল গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই দ্বিতীয় পর্বে প্রবেশ করে।চেক রিপাবলিকের বিপক্ষের ম্যাচটিতে একটি গোল করেন রোনালদো,এই গোল দিয়েই সেই ম্যাচের ম্যান অফ দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।

দ্বিতীয় পর্বে পর্তুগাল জার্মানির মুখোমুখি হয়।৩-২ গোলে হেরে যায় ম্যাচটি পর্তুগাল এবং ক্রিস্টয়ানো কোনো গোল করতে পারেননি এই ম্যাচে।

ইউরো কাপ ২০১২

পর্তুগাল জায়গা হয় গ্রুপ অফ ডেথে।গ্রুপের অন্য দলগুলো ছিলো ডেনমার্ক,নেদারল্যান্ডস ও জার্মানি।

জার্মানির সাথে ১-০ গোলে প্রথম ম্যাচই পর্তুগাল হেড়ে যায়।দ্বিতীয় ম্যাচে গ্রুপের গ্রুপের সব চেয়ে দূর্বল দল ডেনমার্কের সাথে ৩-২ গোলে জেতে পর্তুগাল।পেপে হন ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ।গ্রুপের শেষ ম্যাচ নেদারল্যান্ডসের সাথে হয়ে ওঠে খুবই গুরুত্বপূর্ণ এক কথায় ক্রুশিয়াল।

শেষ ম্যাচের আগে অনেক সমীকরণ ছিলো।পর্তুগাল যদি নেদারল্যান্ডসের সাথে হারে আর ডের্নমার্ক যদি জার্মানির সাথে জেতে,তাহলে অনেক হিসেব পাল্টে যাবে।এছাড়াও পর্তুগাল যদি নেদারল্যান্ডসের সাথর বড় ব্যবধানে হারে,পর্তুগাল নয় বরং নেদারল্যান্ডস হয়ে পরের পর্বে জার্মানির সঙ্গী।

শুরুটা ম্যাচের তেমনই ছিলো।ভ্যান ডার্টের ১১ মিনিটের গোলে এগিয়ে যায় নেদারল্যান্ডস।কিন্তু এরপরও ক্রিস্টয়ানো মোটোমুটি একাই ম্যাচটি বের করে আনেন।২-১ গোলে জিতে যাওয়া এই ম্যাচের দুটি গোলই করেন রোনালদো।২ গোলের উপর ভর করে তিনিই হন সে ম্যাচের ম্যান অফ দ্য ম্যাচ।

কোয়ার্টার ফাইনালে চেক রিপাকলিকের মুখোমুখি হয় পর্তুগার্ল।এই ম্যাচ পর্তুগাল জেতে ১-০ গোলে,যে গোলটি রোনালদো করেন এবং তিনি ম্যান অফ দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন।

সেমিতে পর্তুগাল স্পেনের মুখোমুখি হয়।ফেভারিট স্পেনের সাথে পর্তুগাল হারে ট্রাইব্রেকারে গিয়ে।সেই স্পেনই ইউরো চেম্পিয়ান হয় সেবারের আসরে।

ইউরো ২০১৬

প্রথমে আইসল্যান্ড বনাম পর্তুগাল ম্যাচে কোনো গোল পাননি রোনালদো।ম্যাচটি ড্র হয় ১-১ গোলে।ম্যান অফ দ্য ম্যাচ হন নানি ম্যান।

এর পরের ম্যাচে বিপক্ষ থেকে অষ্ট্রিয়া।এখানে রোনালদো ভালো খেলা করতে পারেননি বরং একটি পেনাল্টি সট মিস করে বিপদে ফেলে দেন দলকে।ম্যাচটি ড্র হয় গোল শূণ্যে।হাঙ্গেরির বিপক্ষে শেষ ম্যাচটি তাই বাঁচা-মরার ম্যাচ হয়ে দাঁড়াই।

জিততেই হবে,এমন ম্যাচগুলোর অর্থই যেনো এক গোল পিছিয়ে থাকা ম্যাচ শুরুর আগে থেকেই।এই ধরণের ম্যাচ গুলার পরিসংখ্যান যদি আমরা দেখি তবে দেখবো যে অনেক বড় বড় দলও তুলনামূলক ছোট দলের কাছে হোঁচট খেয়েছে।২০০২ বিশ্বকাপের কথা মনে আছে?ডের্নমার্কের সাথে জিততেই হবে,এমন এক ম্যাচ খেলতে নেমে তার আগের বিশ্বকাপ জয়ী ফ্রান্স ২-০ গোলে হেরে যায়।একই আসরে আর্জেন্টিনা গ্রুপের শেষ গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে সুইডেনের সাথে ১-১ গোল নিয়ে ড্র করে এবং টুর্নামেন্টের প্রথম রাউন্ড থেকে ছিটকে পরে।এজন্য হাঙ্গেরির সাথে পর্তুগালের ম্যাচটা হয়ে যায় নক-আউট ম্যাচের মত।

ম্যাচ শুরুর আগে পর্তুগার্ল খানিক টা মানুষিক ভাবে পিছিয়ে থেকেই খেলা শুরু করে।এরপর ম্যাচের ১৯তম মিনিটে আরো পিছিয়ে যায় পর্তুগাল প্রথম গোল খেয়ে।নিনি ৪২ মিনিটে গোল করে সমতায় ফেরে পর্তুগার্ল। কিন্তু আবারও ৫৫ মিনিটের মাথাই পিছিয়ে পরে পর্তুগাল আরও একটি গোল খেয়ে।পরে রোনালদোর গোলে ৬২ মিনিটের পর্তুগাল সমতাই ফেরে।ম্যাচটি শেষমেশ ৩-৩ সমতাই শেষ হয়।

গোটা গ্রুপ পর্ব থেকে কোনো জয় না নিয়েই দ্বীতিয় রাউন্ডে প্রবেশ করে পর্তুগার্ল।এবার ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে অতিরিক্ত সময়ে রোনালদোর অ্যাসিস্টে ম্যাচের ১টি মাত্র গোল করেন কোয়ারেজমা।

কোয়ার্টার ফাইনালে পোল্যান্ডের সাথে ১-১ গোলে ড্র করে পর্তুগার্ল এবং ক্রিস্টয়ানো কোনো গোল করেননি এই ম্যাচে।তবে ট্রাইব্রেবকার থেকে প্রথম গোল টি ক্রিস্টিয়ানোই করেন।তবু ধরে নেয় যে এ ম্যাচে ক্রিস্টয়ানোর তেমন কোনো অবদান নাই।

সেমি-ফাইনালে ওয়েলসের সাথে ২-০ যে ম্যাচ যেতে পর্তুগাল সে ম্যাচে ক্রিস্টয়ানো একটি গোল করেন এবং অ্যাসিস্টও করেন একটি গোল।তার ম্যাজিকেই,সেমিতেই গ্যারেথ বেলের ওয়েলসের সপ্নযাত্রা থেমে যায়।

ফাইনালের আগে পর্যন্ত পর্তুগার্ল গোল করে ৮টি।এর মধ্যে ক্রিস্টিয়ানো নিজে গোল করেন ৩ টি।যার মধ্যে দুটি ছিলো দল পিছিয়ে যাবার পর,আর একটি সেমিফাইনালে করেন।এর সাথে অ্যাসিস্ট ছিলে ৩টি।ফাইনালে রোনালদো খেলতে খুব বেশিক্ষণ খেলতে পারেননি,ইনজুরির কারণে উঠে যেতে হয় তাকে মাঝপথেই।তবে সাইডলাইন থেকে প্রতিনিয়তই দলকে অনুপ্রেরণা দিয়ে গেছেন।দলের প্রতি তার নিবেদনটা ছিলো চোখে লাগার মত দলও তাকে প্রতিদান দিয়েছে দারুণ ভাবে,এডারের গোলে প্রতমবারের মত ইউরো শিরোপা ওঠে ক্রিস্টয়ানো রোনালদোর হাতেই।

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো

পরিসংখ্যানের বাইরের কিছু কথা

পরিসংখ্যানের বাইরেও কিছু কথা অবশ্যই ক্রিস্টয়ানোর মত খেলোয়ারকে নিয়ে থাকবেই।ম্যাচ-পূর্ববর্তী পরিস্থিতি অথবা প্রতিপক্ষের উপরেও অনেকংশে পারফরম্যান্স নির্ভর করে।দুই গোলে এগিয়ে থাকার পর গোল করা আর ২গোলে পিছিয়ে থাকার পর গোল করে দলকে ফিরিয়ে আনার মধ্যে পার্থক্য অনেক।পরিসংখ্যান যেসব বিষয়গুলো তুলে আনতে পারেনি, সেগুলোর দিকেও এবার একটু নজর দেওয়া যাক।

ইউরো ২০০৪ টুর্নামেন্ট সেই সময়ের পর্তুগার্ল যথেষ্ট শক্তিশালী দল ছিলো।সবচেয়ে বড় কথা,ঘরের মাঠে হওয়া সেই টুর্নামেন্টে ফেভারিট পর্তুগালই ছিলো।এমনকি ফাইনালেও তুলনা মূলক গ্রিসের থেকে ভালো খেলেও পর্তুগাল দুর্ভাগ্য জনক ভাবে হেরেছে।দলের মূল খেলোয়ার হিসেবে খেলেননি ক্রিস্টয়ানো রোনালদো,দলের একটি অংশ হয়ে খেলেছিলেন।তবুও যথেষ্ট ভালো খেলেছিলেন আনকোড়া খেলোয়ার হিসেবে।পেয়েছিলেন সেরা তরুন খেলোয়ারের পুরষ্কার।ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর পারফরম্যান্স পুরো টুর্নামেন্টে এবং গুরুত্বপূর্ণ কিছু ম্যাচে ছিলো দেখার মত।

ইউরো ২০০৮ আসরে পর্তুগালের গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে পরের পর্বে ওঠার জন্য রোনালদোর ভূমিকা তেমন কিছুই ছিলো না।দ্বিতীয় পর্বে জার্মানি ছিলো কঠিন প্রতিপক্ষ,তিনি পারেননি সেই ম্যাচটা জিতিয়ে “স্পেশাল” হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে।তবে এটাও মনে রাখতে হবে,পরের রাউন্ডে ওঠার জন্য ক্রিস্টয়ানো তার সতীর্থদের যথেষ্ট সাহায্য পাননি।মাথায় রাখতে হবে এটাও যে জার্মানি ছিলো আগুনের মত ফর্মে।সেই টুর্নামেন্টে পর্তুগাল ফাইনাল খেলেছে এবং রানার্স-আপ হয়েছিলো।

ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো

২০১২ ইউরোতে গ্রুপ অফ ডেথ থেকে পরের রাউন্ডে উঠার জন্য রোনালদোর অবদান ছিলো অনস্বীকার্য। যে পর্তুগালের গ্রুপ পর্ব থেকেই বাদ পরে যাবার কথা ছিলে, সেই পর্তুগালকে পরের পর্ব পর্যন্ত এনেছেন ক্রিস্টয়ানো রোনালদো।কোয়ার্টার ফাইনালের ম্যাচেও ম্যান অফ দ্যা ম্যাচ রোনালদো হয়েছিলেন।সেমিফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচটা পর্তুগালের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিলো অনেক।ম্যাটটা পর্তুগার্ল হারে ট্রাইবেকারে এসে।স্পেন চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলো সেই ইউরোতে।

২০১৬ ইউরোতে পর্তুগালের পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে চলে গিয়েছিলো যে ক্রিস্টয়ানো না থাকলে পর্তুগাল গ্রুপ পর্ব থেকেই বাদ পরে যেতো।সেমিতে দুরন্ত ওয়েলসের বিপক্ষে রোনালদো ১গোল আর ১ অ্যাসিস্ট করে ম্যাচ জেতান এবং ঐ ম্যাচে তিনিও ম্যান অফ দ্য ম্যাচ হয়েছিলেন।ফাইনাল অবশ্য রোনালদো ইনজুরির জন্য খেলতে পারেননি।

শেষ কথা

পরিসংখ্যান কখনোই একটা বিষয়কে পুরোপুরি ভাবে মেলে ধরতে পারে না।পরিসংখ্যান আপনাকে বলবে,ক্রিস্টয়ানো রোনালদো ইউরো চা বার খেলে এক বার চ্যাম্পিয়ন আর একবার রানার্সআপ দলে ছিলেন।কিন্তু পরিসংখ্যান এটা বলবে না আপনাকে যে,রোনালদো আসার আগের ১১টি আসরের মাঝে পর্তুগাল মাত্র ৩ টি আসরে মূল পর্বে খেলতে পেরেছে।রোনালদো আসার পরেই পর্তুগাল প্রতিটি আসরেই মূল দলে খেলা নিশ্চিত করতে পেরেছে,এমনকি ফেভারিট হিসাবেও খেলেছে পর্তুগাল।এর আগ পর্যন্ত যে পর্তুগার্ল কখনোই ফাইনালে খেলতে পারেনি সেই পর্তুগাল একবার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আর একবার রানার্সআপ হয়েছে এই ক্রিস্টয়ানোর আমলে।

 

এমনকি যে দুইবার ফাইনাল খেলেছে পর্তুগাল,সেই দুইবারও সেমিফাইনালে পর্তুগালের করা চারটি গোলের মধ্যে তিনটি গোল সরাসরি ক্রিস্টয়ানো করেছেন এবং একটি গোলে সহায়তা করেছেন তিনি।যে দুইবার ফাইনালে খেলতে পারেরনি,সেই দুইবার পর্তুগাল যাদের কাছে হেরেছে,পরে তারাই ফাইনাল খেলেছে।

এবারের আসরটাই সম্ভবত দ্য গ্রেট ক্রিস্টয়ানো রোনালদোর শেষ ইউরো আসর।আরেকটা গোল করতে পারলেই তিনি ইউরোর সর্বকালের এককভাবে সেরা গোলদাতা বনে যাবেন,এমন সম্ভবনা নিয়েই এসেছিলেন তিনি ইউরোতে।শুরুটা করেছেন তিনি দুর্দান্ত,প্রথম ম্যাচেআ হাঙ্গেরির বিপক্ষে ২টো গোল করে তিনি আরো একবার জানিয়ে দিয়েছেন নিজের সামর্থ্য। তবে ব্যক্তিগত অর্জনের থেকেও বেশি এবার হয়তো দলগত অর্জনের দিকেই মূল নজর থাকবে রোনালদোর।ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন হিসেবে খেলতে আসা পর্তুগালকে নিয়ে আরেক বার কাপ উঁচিয়ে ধরার ইচ্ছা পূরণ করতে পারবেন কি-না,সেটা আপাতত সময়ের উপরের ছেড়ে দিয়ে দেখা যাক!

Thanks For Visit.

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button