Sports
Trending

Joshua Kimmich-Would Best No-6

Joshua Kimmich-Would Best No-6

 

ঘড়িতে তখন আটটা বাজে। Joshua Kimmich দলের সম্পুর্ন কিট পরে পুরোদমে তৈরী হয়ে সাক্ষাতকার দিতে এসেছেন । মাঠে যেরকম এ্যাটাকিং এবং ডিফেন্সিং আসাধারণ ভারসাম্য ধরে রেখে খেলা করে তে মনিষিদের জীবনেও সময়ের সঠিক ব্যবহারে সচেতন। মাঠ কিংবা মাঠের বাইরে সবখানেই সর্বদা ভারসাম্য বজিয়ে রেখেছেন জশুয়াকিমিখ।

“উইরো কাপ  জেতার  লক্ষ্যে তখনই  ছিলাম আমি। দৃঢ় প্রতিজ্ঞার সুনিপুন ছাপ আকা রয়েছে ২৬ বছর বয়সি কিমিখের চেহারাতে। আমি কোনো টুর্নামেন্ট খেলতে যাবার আগে ,গ্রুপ পর্ব পার করতে পারবো এমন কথা কখনো বলি না। কিন্তু সব দলেরই সপ্ন থাকে গ্রুপ পর্ব পার করার। আমরা কিছু কঠিন প্রতিপক্ষের সাথে খেলতে যাচ্ছি প্রথম রাউন্ডেই। প্রতিটা ম্যাচ ফাইনাল ম্যাচের মত কঠিন চলছিলো প্রথম রাউন্ডেই। কোন কিছুতেই নিশ্চয়তা নেই জেতার।“

এই পর্যন্ত আপনি এসে এটা বিশ্বাস করবেন Joshua Kimmich চ্যালেন্জ গ্রহণ করতে খুব ভালোবাসেন। গত ২- ৩ বছরে জশুয়াকিমি বারবার নিজেকে প্রমান করেছেন তিনিই পুরো বিশ্বেসেরা নাম্বর সিক্স। অন্তত তার ক্লাব সতীর্থ জাবিমার্টিনেজ সহ আরো অনেকেই এই মতের পক্ষে মতামত দিয়েছেন।

জশুয়াকিমিথ এমন একজন দক্ষ প্লেয়ার যিনি বলমাঠের স্পেসও ম্যাচের ছন্দ গতি কন্ট্রোল করেন। কিন্তু তাকে ভিড়ের মধ্যে অনন্য করতে শুধু ফুটবল স্কিলই অবদান রেখেছেন তা নয়। অপ্রতিরদ্ধ ব্যক্তিত্ব আর মাঠে খেলার নিয়ন্ত্রণ এই দুইটার ধরাবাহিকতায় শিরোপা জয়ের ইচ্ছা জাগিয়ে রাখা  এরকম অসাধারণ মানুষিকতায় Joshua Kimmich-কে আলাদা করেছে আরো দশজন থেকে। ১৭৭ সেন্টিমিটার তথা ৫ ফুট ৯ ইঞ্চির এই বিশাল রোটওয়েলারকে (Joshua Kimmich-এর বাড়ি ও প্লে স্টাইল) বলতে পারেন এক ফুটবল মেশিন অপ্রতিরদ্ধ ইচ্ছা শক্তি, ট্রফি জেতার তিব্র কামনা যার কাজ করে জ্বালানি স্বরুপ।জশুয়াকিমিখ বলেন,

“আমাদের সবার মানুষিকতা মাঠেও একই রকম থাকে , এটা আপনারা সহজেই বুঝতে পারবেন, আমাদের খেলা দেখলেই।আপনারা নিশ্চয় খেয়াল করেছেন, কোন ম্যাচই আমরা হারতে চাইনা। আমরা যে রকমই খেলিনা কেন, প্রতিটা ম্যাচই আমরা জিততে পারি।”

কিন্তু এই ধরনের মানুষিকতা পোষন করা ক্লাব পর্যায়ে যতটা সহজ লাগে জাতীয় পর্যায়ে ততটাই কঠিন মনে হয়। ক্লাবে থাকে নানান জাতীয় দলের প্লেয়ারের সমারহো। অনুশীলন আর খেলার সুয়োগে বছরে মাত্র কয়েক মাসই তারা একসাথে থাকার সুযোগ পান। সবচেয়ে বেশি আপত্তিকর বিষয় হলো ২০২০ এর উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লীগজয়ী এবং২০২১ মৌসুমে বুন্দেসলিগা চ্যাম্পিয়নলীগে বয়ার্নমিউনিক যে অসাধারণ খেলেছে জোয়াখিমলো’র জার্মানি দলে অনুপস্থিত ছিল সেই উদ্দিপনাটা। তাকে দেখে এটা বিশ্বাস করতে কষ্ট হয় যে এই দলটি মাটিতে নামিয়ে আনতে পারে যেকোন পার্রফর্মে থাকা দলটিকে। তবুও Joshua Kimmich অদম্ম। তার মতে ইউরো ট্রফি জেতার স্বপ্ন একদম অস্বাভাবিক কিছুনা।

“বায়ার্নে সর্বদায় আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্য থাকে চ্যম্পিয়ান হওয়া। তারপরও আমরা প্রতিটা ম্যাচ নিয়ে আলাদা আলাদা ইঙ্গিতে ভেবেছি ,  Joshua Kimmich বিস্তরিতভাবে বলেন, মুলত জাতীয় দলেও বিষয়টাও হওয়া উচিত ছিল। প্রথম ম্যাচটি খেলার আগেই অকারণে শিরোপা জয় নিয়ে বেশি কথা বলার কোন লাভ নেই। কিন্তু ফিরে আসা যাবেনা মুললক্ষ থেকে। সেটি যেন কোনভাবেই আবেগে হারিয়েনা যায়। আপনি যেমন অনেক বড়বড় স্বপ্ন দেখতে পারেন তেমনি এই স্বপ্নগুলোর নিকটে যেতে প্রত্যেকটা ছোট ছোট কার্যক্রম কেনো সংযোগ করতে পারেন। একে অপরের পরিপুরক।“

Joshua Kimmich আর্তজাতিক পরিসরে ৫ বছর খেলেছেন। এরই মধ্যে তিনি নিজ চোখে দেখে ফেলেছেন  যে একটি  টুর্নামেন্টের কিভাবে অপ্রত্তাশিত মোড় নিতে পারে।

২০১৬ ইউরোর কথাবলি। তখন Joshua Kimmich একদমই নতুন খেলোয়ার। সেই বার জার্মানি সবকিছু মিলিয়ে ভালোই খেলেছিল।কিন্তু খুব মনমরা নিয়ে সেমি ফাইনালে থেকে বিদায় নিতে হয়েছিল স্বাগতিক ফরাসিদের কাছ থেকে। ১ বছর পর চকচকে চেহারায় একদল উদিমান প্লেয়ার নিয়ে দল গঠন করে রুশ দেশে হওয়া বিশ্বাকাপের মহড়া হিসেবে সুপরিচিত কনফেডেরেশন কাপে অংশ গ্রহণ করতে পাঠিয়েছিল জার্মান বাহিনি। তখন সেই দলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়ার হয়ে উঠেছিলেন Joshua Kimmich। ১২ মাস বাদে আয়োজিত বিশ্বকাপমঞ্চে এবার গ্রুপপর্বে বাদ যায়নি জার্মান শিবির।

Joshua Kimmich
Joshua Kimmich

কোন টুর্নমেন্টে কোন একটি দলের ফলাফল নিয়ে আতিরিক্ত আলোচনা করার খারাপ দিকটা আগেও ছিল এখনো আছে। এটা সবথেকে বেশি কঠিনতা হলো কোন একটি টর্নামেন্টে কোন দলের ব্যর্থতা নির্নয় করা। Joshua Kimmich পরপর তিনটা টুর্নামেন্টের তিনধরেনের অভিজ্ঞতা হয়েছে। তাকে হয়তো অনেক কিছুই শিখিয়েছেন নিঃসন্দেহে অনেক আভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন । ইউরোর ২০ কেমন হতে পারে ১৭ সালের মত নাকি ১৮ এর মত?

২ সেকেন্ড চুপ করে থাকলেন Joshua Kimmich।

“আমি আজও বলি যা শিখেছি  তা  হলো দল হিসেবে খেলতে পারা এটাই ফুটবলের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।সব রকম ফুটবল নিয়ে বিচার বিশ্লষন সরিয়ে রেখে যদি  আমি বলি ২০১৮ এর বিশ্বকাপ সবচেয়ে বড় যে অসফলতা ,তার কারণ ছিল আমাদের দলগতভাবে খেলতে না পারা। আমরা পরিপুর্ন দল হিসেবে পারর্ফম করতে পারিনি। একটা ফুটবল দলের মধ্যে সে কেমিস্ট্র থাকে, যে একে অপরের উপর বোঝাপড়া বা বিশ্বাস থাকে যা গত প্রজন্মের জার্মান বাহিনীর মধ্যে ছিল সেটা আমরা করতে ব্যর্থ হয়েছি।“

২০১৪ বিশ্বাকাপের আদলেই ২টা অসমবয়সিদল (তরুণ ও প্রবীণ) এবং কিছু উপদল (নিয়মিত ও অনিয়মিত) জোয়াখিমলো একটা অস্থায়ী ক্যাম্প করেছিল। সেবার তিনি একদম অপ্রত্তাসিত জায়গায় গিয়েছিলেন ক্যাম্প করতে। সোভিয়েতযুগের একটা হোটেলে  উঠেছিল জার্মান শিবির মস্কো শহর পাড়ি দিয়ে । অথচ ২০১৪ সালে জার্মান শিবির ছিল একটা চমৎকার বিলাশ বহুল হোটেলে। এটা নামেনে নেয়ার কোন সুযোগ নেই যেমানুষের উপর পরিবেশ অনেক প্রভাব সৃষ্টি করে। এবার জার্মানদের ক্যাম্পিইনের জায়গাটাই তাদের মুড আরোবিগড়ে দিয়েছে।

“দক্ষিনকোরিয়া, মেক্সকো, সুইডেন এরা সবাই এক গ্রুপে থাকার পরেও যে আমরা বিদায় নিব, গ্রপের ৪ নাম্বারে থেকে,  এটা কখনো  ভাবতেও পারিনি আমরা। Joshua Kimmich সবকিছুই স্পষ্ট ভাবে স্বিকার করে, উক্তি দিলেন। অহংকারে বদলে যেতে লাগছিল নিজেদের আত্মবিশ্বাস গুলো। তখন সবাই ভাবতে শুরু করে দিয়েছিল নক-আউট পর্বের ম্যাচ গুলোকে নিয়ে। অথচ আমরা তখন শুরুই করিনি গ্রুপ পর্বের ম্যাচ গুলো।”

জার্মানি নিরিক্ষা মুলক দল দিয়েছিল কন-ফেডারেশন কাপে। টুর্নমেন্ট খেলতে আসে আন্ডার-ডগ উপাধি নিয়ে এবং শিরোপাই জিতে গিয়েছিল।

“আপনি লক্ষ করলে দেখতে পাবেন কনফেডারেশন কাপে সবাই লড়েছে, দৌড়িয়েছে। এসব কিছুই তারা করেছে একে অপরের জন্য ।স্রিতি হাতরে বলে যান কিমিখ “ফুটবলের মাপ  কাঠিতে এই দলটি কিন্তু ২০১৬ সালের দলের মত অতটা ভালো দল ছিলো না একদমই। তবে ফলাফল আমাদের বিপক্ষে যায়নি।”

 

অভ্যন্তরীন অনেকনকিছুই পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যায় টুর্নামেন্টে কোন দলের মধ্য দিয়ে এইটা কখনোই জোর দিয়ে বলা সম্ভব না যে শেষ ম্যাচে ভালো খেলা দলটা সামনের ম্যাচেও ভালো খেলবে। বদলের খেলোয়াড়দের মধ্যের নিজস্ব জ্ঞান আর বৈশিষ্ট্য থাকে সেটা ইউরো বা বিশ্বকাপে যেটাই হোক না কেন। কিন্তু খুব কম দলই তাদের ব্যতিক্রম কলাকৌশল দিয়ে তাদের পরিকল্পনা সাজাতে পারে। আর যারা সেই মত খেলতে পারে তারাই জয় লাভ করে।

Joshua Kimmich
Joshua Kimmich

জার্মান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন “ওয়ারকিংহলিডে” বাস্তবায়ন করতে চাইছিলো এইগ্রীষ্মে। ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে এই বিষয়টি খুব বড় ভূমিকা রেখেছিলো। এতেদলের মধ্য এক্যবদ্ধ এসেছিল। এক্যবদ্ধই ছিল ব্রাজিল বিশ্বাকাপে জার্মানেদের সফল তার মূলমন্ত্র।

এবারের দলেও বিশেষত্ব থাকছে বায়ার্ন মিউনিখের খেলোয়ারদের। জশুয়া কিমিখ ছাড়াও দলে থাকছেন টমাস মুলার, নিকলাসশ্যুল, সার্জন্যা ব্রিম্যানুয়ার নয়্যার, লিওনগোরেৎজকাদের মত তারকারা। কিমিখের মতে দায়িত্ব ভার বেড়ে গিয়েছে বায়ার্ন খেলোয়াড়দের উপর।

“বায়ার্ন খেলোয়ার হিসেবে আমাদের সকলের একমাত্র লক্ষ্য হল জাতীয় দলের মেরুদন্ড হিসেবে খেলা করে যাওয়া। কিন্তু একটি বিষয়ে ব্যপক খেয়াল রাখতে হবে যেন, দলের ভিতর উপদল তৈরি না হয়। মিউনিখের খেলোয়ারদের অন্য ক্লাবের খেলোয়ারদের সাথে মানসিক দূরত্ব তৈরি হবে যদি তারা শুধু নিজেদের মধ্যে হ্যাং-আউট করেন। এটা নিশ্চিত করা আমাদেরই দায়িক্ত যাতে দলের প্রত্যেকটা খেলোয়ার দলের জন্য নিজেদের সমান ভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভাবতে পারেন। “

তবে কিমিখ কঠিন ভাবর বলে দেন যে তিনি চুপ করে থাকবেন না যদি দেখেন দলের মান কমে যায়।

“কিছু দায়বদ্ধতা আমাদের নিজেদের প্রতি নিজেদেরও আছে। দলের নেতৃস্থানীয় খেলোয়ার আপনি নাও হতে পারেন, কিন্তু দলের সবাইকে এটা নিশ্চিত করতে হবে যে আমরা নিজেরা এবং দলের বাকি সতীর্থরা সবাই নিজেদের সেরাটা দিচ্ছি কিনা।”

এই সাক্ষাত কারের কিছু দিনপর জার্মানের দৈনিক কাগজে লেখা হয় কিমিখলে রয়সানের সাথে যথেষ্ট চিৎকার করে কথা বলেছেন জার্মান ডেনমার্ক প্রিতিম্যাচে১-১ গোলে ড্র হওয়ার পর। কারণ সে সেদিন মাঠে মন দিয়ে খেলেনি।

ব্যাক-টু- ব্যাক নীতি অনুসরণ করতে হবে ডাই-মান শফটদের। অনেক কিছুই পরিবর্তন হয়েছে রাশিয়া বিশ্বকাপের পর। প্রতিবারের মতই জার্মানির বড় টুর্নামেন্টে সাফল্য নিয়ে সংশয় থাকে। তবে গত ৩ বছরে দেখায় যে উদাশীনতা লক্ষ করা গিয়েছে এবং খেলোয়াড়েরা দেশের জার্সিতে ফর্মহিনোতায় ভুগছেন এতে ইউরোতে কত দূর যেতে পারবে তা নিয়ে চিন্তিত জার্মান ভক্তরা। এফ গ্রুপে তাদের প্রতিপক্ষ বিশ্বজয়ী ফ্রান্স, ইউরোজয়ী পর্তুগাল। অনেকেই এই গ্রুপ টাতে গ্রুপ অফ ডেথ বলেছেন। জশুয়া কিমিথ হালকা হেসে বললেন

“এবার প্রতিপক্ষ দলকে দুর্বল ভাবার কোন সুযোগ নেই।আমি যদি জার্মান সাপোর্টার হতাম তাহলে আমিও অনেক দুশ্চিন্তায় থাকতাম এমন গ্রুপে পড়ার পোড়।২০১৮ সালের পোড় থেকে আমাদের খেলাই কোন রকম কোন ছন্দ নেই।অল্প কিছু টা সময় ভালো ছিলো যখন আমরা ন্যাসনাল লিগ থেকে রেলি গেটস হয়ে গেলাম। “

জশুয়া কিমিথ আরও বলেন-

‘’ এই কথা বলা কঠিন যে এই টুর্নামেন্টে দল হিসেবে আমাদের অবস্থান টা কেমন। অন্য সব দল থেকে কোনো ভাবে আমাদের দল পিছিয়ে নেয়। অনেক ভালো খেলোয়ার রয়েছে আমাদের দলে। কিন্তু অনেক দিন হলো আমরা ভালো খেলা করতে পারিনি।”

‘’ এই কথা বলা কঠিন যে এই টুর্নামেন্টে দল হিসেবে আমাদের অবস্থান টা কেমন। অন্য সব দল থেকে কোনো ভাবে আমাদের দল পিছিয়ে নেয়। অনেক ভালো খেলোয়ার রয়েছে আমাদের দলে। কিন্তু অনেক দিন হলো আমরা ভালো খেলা করতে পারিনি। “

অনেকেই  প্রয়োজনীয়  অনেক ম্যাচে খেলতে পারেনি ইন্জুরি অথবা কোভিড আক্রমনের ফলে। ফলে পরিস্থিতি আরো কঠিন হয়। এখনো বুঝতে পারিনি দলে কার ভূমিকা কোথায়। একটা দলের মধ্যে মজবুত এক্য হয় যখন তারা নিয়মিত ম্যাচ জয় লাভ করে। কিন্তু আমাদের মধ্যে এখন সেটাই নেই। আমি নিশ্চিত আমরা একে অন্যের কাছাকাছি যাব আগামি সপ্তাহের ট্রেনিং এরমাধ্যমে। এটা আমাদের জন্য এখন বড় চ্যালেন্জ।”

জশুয়া কিমিখ বারবারএ কই কথা খুব শক্ত ভাবে বলছেন, দলীয় এক্য ছাড়া জার্মান ট্যাকটিক্যাট কালেক্টিভ হিসেবে বেশি ভালো পার্ফম করতে পারবে না। কিন্তু এই আলোচনার পরও একটা প্রশ্ন থেকে যায় তাহলো এই ট্যাকটি ক্সেকিমিখের ভূমিকা কোথায় হবে? কোথায় খেলবেন তিনি?

জার্মানকে৩-৪-৩ ফরমেটে খেলতে দেখা যায় জোয়াখিমলো’র পুনঃবিন্যাসিত একটি ফর্মেশনে ডেনমার্ক ওলাটভিয়ার সাথে। এবং তার সাথে প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে অবশ্যকিয় ভাবে উইংয়ে দ্বিতীয় আরেক জন দক্ষ প্লেয়ারের। এই পজিশনে Joshua Kimmich কার্যকারি হতে পারেন। তাকে অন্তত এই অবস্থানে দেখা গিয়ে ছেলাটভেরিযার বিপরিতে। ফ্রান্সের বিপক্ষেও তার এই অবস্থানে দেখতে পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। কিমখের অবশ্যই ধার বাড়বে অলরাউন্ড ক্লাসে আর ডাইনামিজম উইংয়ে। কিন্তু এর জন্য ব্যাপক মুল্য দিতে হতে পারে জার্মানের। ফ্রান্স ও পর্তুগালের বিপরিতে টনিক্রুস ও গুন্ডোয়ন যারা ডিফেন্স করেন না। তাদের কাজ হবে মধ্য মাঠ থেকে আক্রমনের ভিত্তিতে সাহায্য করা। এর আগে শেষবার যখন কিমিখ বিহীন মিডফিন্ড সাজিয়েছিল সেইবার স্পেনের কাছ থেকে হাফ ডজন গোল জার্মানকে হজম করতে হয়েছিল। মনে হয় এই টুকু যথেষ্ট হবে একজন কামিখ বিহীন জার্মানের জন্য।

(ইতো পূর্বে গ্রুপের ম্যাচ গুলো শেষ। জোয়াখিমলো৩-৪-২-১ ফরমেটে খেলিয়েছেন জার্মানকে)

ফিলিপলামনেনিয়ে সৃষ্টি হওয়া বিতর্কে যেন পুনরা বৃত্তি ২০১৪ বিশ্বকাপে তবে উল্টো রকমের কিমিখ কেনিয়ে এসব ধাঁধাঁ। প্রথম ৪ ম্যাচ লাম খেলেছিল মিডফিন্ডে। সম্পুর্ন বিশ্বাস করতে পারছিলেন না শোয়ান স্ট্রাইগার ওসামিখে দিরার উপর। তবে জশুয়া কিমিখ এবার ডান পাশে খেলতে পারেন। কারণ লো’রদলে আর বিশ্বাসি খেলোয়ার নেইউয়ংব্যাক বাফুল ব্যাক হিসেবে। সেন্ট্রার রোলে খেলতে চান কিমিখ। তার ক্লাব বায়ার্সের হয়ে যেভাবে খেলেন। তবে তাকে রাইট ব্যাক গ্রহন করতে হলো যখন বেন জামিন পাভার্ড ইন্জুরিতে পড়লো।

Joshua Kimmich
Joshua Kimmich

আসলে দিন শেষে কোচই বলেন আমি কোথায় খেলবো। গত সপ্তাহে জার্মান বিল্ডকে দেওয়া এক আলোচনায় বলেন দলের সার্থে কোচ যদি চান আমাকে রাইট ব্যাকে খেলতে আমি তাতেই প্রস্তুত। জশুয়াকিমিথশক্ত ভাবে জানিয়ে দিলেন, আমাদের খেলতে হবে এক্য বন্ধ হয়ে। জাতীয় দলের জন্য খেলতে পারা এক বিশেষ সম্মান, মানুষকে আমরা দেখাতে চাই। আমরা দেখাতে চাই আমরা তাদের সম্মান করি। আমাদের জন্য গর্বের জাতীয় দলের জন্য কিছু করা। যার ফলে সকলে আমাদের দেশকে চিনে।

(ইতো পূর্বে গ্রুপের ম্যাচ গুলো শেষ। জোয়াখিমলো ৩-৪-২-১ ফরমেটে খেলিয়েছেন জার্মানকে)

ফিলিপলামনে নিয়ে সৃষ্টি হওয়া বিতর্কে যেন পুনরাবৃত্তি ২০১৪ বিশ্বকাপে তবে উল্টো রকমের কিমিখকে নিয়ে এসব ধাঁধাঁ। প্রথম ৪ ম্যাচ লাম খেলেছিল মিড ফিন্ডে। সম্পুর্ন বিশ্বাস  করতে পারছিলেন না শোয়ান স্ট্রাইকার ওসামিখেদিরার উপর। তবে Joshua Kimmich এবার ডান পাশে খেলতে পারেন। কারণ লো’রদলে আর বিশ্বাসি খেলোয়ার নেইউয়ংব্যাকবা ফুল-ব্যাক হিসেবে। সেন্ট্রার রোলে খেলতে চান কিমিখ। তার ক্লাব বায়ার্সের হয়ে যেভাবে খেলেন। তবে তাকে রাইট ব্যাক গ্রহন করতে হলো যখনবেন জামিন পাভার্ড ইন্জুরিতে পড়লো।

আসলে দিন শেষে কোচই বলেন আমি কোথায় খেলবো। গত সপ্তাহে জার্মান বিল্ডকে দেওয়া এক আলোচনায় বলেন

“ আমি আসলে কোথাই খেলবো, তা কচের উপরেই নির্ভর করে দিন শেষে। “যদি কোচ মনে করেন আমাকে তিনি রাইটব্যাক হিসাবে খেলাতে চান,আমাকে প্রয়োজন সেখানে, দলের ভালোর জন্য আমি তাহলে রাইটব্যাক               হিসাবেই খেলবো- জার্মান দৈনিক বিল্ডকে গত সপ্তাহেই দেওয়া এক সাক্ষাতকারে তিনি এ কথা বলেছিলেন। “

এই প্রসঙ্গ নিয়ে চায়ের কাপে বেশ কয়েক দিন ঝড় উঠবে তা বোঝাই যাচ্ছে। তবে দলকে যেকোনো জায়গা থেকে নেতৃত্ব দিতে প্রস্তুত রয়েছেন।

“ আমাদের লড়তে হবে একসাথে”, কিমিখ স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেন আবারও, এক বিশেষ সম্মানের বিষয় হচ্ছে জাতীয় দলের জন্য খেলতে পারা, আমরা দেখতে চাই মানুষদের যে আমরা তাদের সম্মান করি এবং গুরুত্ব দেই। আমাদের জন্য গর্বের বিষয় জাতীয় দলের জন্য দেশকে প্রতিনিধিত্ব করা। আমরা এমন ভাবে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করতে চাই, যাতে আমাদের দেশকে সবাই জাতীয় দলের জন্য চেনে।“

নিন্দুকের মুখে যদি ছায় ঢালতে চাই তবে জোয়াখিমলো’ Joshua Kimmich- কে অবশ্যই কাজে লাগাতে হবে। এতে পাশার দানটা পাল্টিয়ে যেতেও পারে।

 

Thanks For Visit

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Back to top button